বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেবল একটি নিয়মিত সাংবিধানিক আয়োজন নয়; বরং এটি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক পুনরুদ্ধারের একটি নির্ণায়ক মুহূর্ত। দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অনুপস্থিতি, ভোটাধিকার হরণ, অংশগ্রহণমূলক রাজনীতির ক্ষয় এবং রাজনৈতিক আস্থাহীনতা—এই সম্মিলিত বাস্তবতায় উক্ত নির্বাচন রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার একটি ঐতিহাসিক সুযোগ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের বাইরে নির্বাচন আয়োজন কিংবা নির্বাচনকে ঘিরে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হলে রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামাজিক বিভাজন এবং রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির সক্রিয় হওয়ার ঝুঁকি বহুগুণে বেড়ে যায়; বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসই তার প্রমাণ। ফলে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সময়মতো ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে অনুষ্ঠিত হওয়া এখন আর কেবল রাজনৈতিক অঙ্গীকার নয়, এটি রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনীয়তায় পরিণত হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে জনাব তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি নিছক ব্যক্তি কিংবা দলীয় রাজনীতির গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়। পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় তাঁর অবস্থান একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণের আভাস দেয়। তিনি এখন শুধু একটি দলের শীর্ষ নেতা নন; বরং বহু মানুষের কাছে রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা ও বিকল্প ক্ষমতাকাঠামোর সম্ভাব্য বাহক হিসেবে প্রতীয়মান হচ্ছেন। ফলে তাঁর প্রত্যাবর্তন এবং ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর নির্বাচন—এই দুয়ের মধ্যে একটি কার্যকারণ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, যা বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় উপেক্ষা করার কোন সুযোগ নেই।
:
বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন:
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সন্ধিক্ষণ
-ড. এম এম রহমান
দৈনিক জনকণ্ঠ, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নির্ধারিত সময়ের বাইরে নির্বাচন আয়োজন কিংবা নির্বাচনকে ঘিরে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হলে রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামাজিক বিভাজন এবং রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির সক্রিয় হওয়ার ঝুঁকি বহুগুণে বেড়ে যায়; বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসই তার প্রমাণ। ফলে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সময়মতো ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে অনুষ্ঠিত হওয়া এখন আর কেবল রাজনৈতিক অঙ্গীকার নয়, এটি রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনীয়তায় পরিণত হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে জনাব তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি নিছক ব্যক্তি কিংবা দলীয় রাজনীতির গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়। পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় তাঁর অবস্থান একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণের আভাস দেয়। তিনি এখন শুধু একটি দলের শীর্ষ নেতা নন; বরং বহু মানুষের কাছে রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা ও বিকল্প ক্ষমতাকাঠামোর সম্ভাব্য বাহক হিসেবে প্রতীয়মান হচ্ছেন। ফলে তাঁর প্রত্যাবর্তন এবং ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর নির্বাচন—এই দুয়ের মধ্যে একটি কার্যকারণ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, যা বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় উপেক্ষা করার কোন সুযোগ নেই।
:
বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন:
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সন্ধিক্ষণ
-ড. এম এম রহমান
দৈনিক জনকণ্ঠ, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
